"বাংলা বীরহের গল্প", "বিচ্ছেদের ভালোবাসার গল্প"

শিরোনাম: "ভাঙা স্বপ্নের বৃষ্টি" রাহাত আর নীলার প্রেম ছিল গ্রামের আলোড়নের বিষয়। স্কুল জীবন থেকেই তাদের ভালবাসা ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছিল, যেন নদীর স্রোতের মতো। দুজনের স্বপ্ন ছিল একসাথে শহরে পড়বে, ভালো চাকরি করবে এবং একটা ছোট্ট সংসার গড়বে। কিন্তু স্বপ্নের সাথে বাস্তবতার ফারাক যে এতটা নির্মম হবে, তা কেউ ভাবেনি। রাহাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেলেও, নীলাকে বিয়ে দিয়ে দেয় তার পরিবার। কারণ, তাদের দারিদ্র্য আর সমাজের চোখ রাহাতের স্বপ্নের থেকে বড় হয়ে দাঁড়ায়। রাহাত অনেক দিন চেষ্টা করেছিল নীলার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার। কিন্তু নীলা সমাজের দেয়াল পেরিয়ে তার কাছে আসতে পারেনি। একদিন হঠাৎ খবর আসে — নীলার বিয়ে হয়েছে, সে এখন দূরের এক জেলায় সংসার করছে। রাহাত ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু সে নিজেকে হারায়নি। পড়াশোনা শেষ করে সে ভালো চাকরি পায় এবং গ্রামের স্কুলের পাশে একটি পাঠাগার তৈরি করে। তার বিশ্বাস ছিল, আজ না হোক কাল, এই পাঠাগার থেকে আরও অনেক রাহাত-নীলার জন্ম হবে, যাদের স্বপ্ন সমাজ ভেঙে ফেলতে পারবে না। নীলার স্মৃতি আজও বয়ে বেড়ায় রাহাত। কিন্তু সে জানে, ভালবাসা শুধু পাওয়ার নয়, ত্যাগের নাম। আর সেই ত্যাগই তাকে আজও শক্তি জোগায়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

অভিমান যখন ভালোবাসার পরিক্ষা — এক হৃদয়ছোঁয়া গল্প

ভালোবাসার শেষ সন্ধ্যা